nav-icon.png
বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবেলায় বিশ্বে উদাহরণ : ঢাবি উপাচার্য
October 12, 2018
Download Attachment


প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক সম্প্র্রদায়ের কাছে উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা পূর্ববর্তী এক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আগামীকাল শনিবার আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসকে সামনে রেখে এ শোভাযাত্রার আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ ইনস্টিটিউট। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- 'কমাতে হলে সম্পদের ক্ষতি, বাড়াতে হবে দুর্যোগের পূর্ব প্রস্তুতি'।
শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে। ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন হাতে এতে অংশগ্রহণ করেন। এর আগে অপরাজেয় বাংলার সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেনসহ ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষর্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে পূর্ব প্রস্তুতি থাকলে ক্ষতি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।
সম্প্র্রতি ইন্দোনেশিয়ায় সুনামি ও ভূমিকম্পে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, এর কারণ হিসেবে তাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও দক্ষতার ঘাটতি আন্তর্জাতিক সম্প্র্রদায় লক্ষ্য করেছে। এ ক্ষেত্রে সবাই বাংলাদেশকে রোল মডেল বলে উল্লেখ করেছে।
অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ বলেন, আমাদের দেশে কিছু ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল রয়েছে। সেসব অঞ্চলে উঁচু ভবন তৈরি না করাই শ্রেয়। কারণ 'বিল্ডিং কোড' না মেনে যে সব ভবন তৈরি করা হয় সেগুলো সত্যিই বিপজ্জনক। সব দুর্যোগের মধ্যে কিছু দুর্যোগ রয়েছে যার পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয় না। এ ক্ষেত্রে মানুষ যদি সতর্ক হয়, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব।